৩৯১ কেন আজ স্বামীজিকে নিয়ে চর্চা করার প্রয়োজনীয়তা আছে - (২৪)
৩৯১ কেন আজ স্বামীজিকে নিয়ে চর্চা করার প্রয়োজনীয়তা আছে - (২৪ ) ২১শে সেপ্টেম্বর,১৮৯৪ আমেরিকা থেকে লেখা চিঠির ভাবার্থের অনুসরণে - স্বামীজীর এই চিঠিতে তাঁর ব্যক্তিগত মনোজগতের এক গভীর দ্বন্দ্ব ধরা পড়ে। নিজের ইচ্ছা-অনিচ্ছার দোলাচলে থেকেও তিনি তাঁর দৈনন্দিন কর্মযাত্রার খতিয়ান অকপটে প্রিয়জনদের সামনে তুলে ধরেছেন। সার্বজনীন ধর্মের আদর্শকে সামনে রেখে এবং নিজের কর্মধর্মকে যাত্রাপথের সারথি করে তিনি যে পথে এগিয়ে চলেছিলেন, সেই পথে সংগৃহীত অভিজ্ঞতাই এই চিঠির মূল সুর। মানুষের অস্তিত্বে দেহ ও মন—এই দুই শক্তির মধ্যে যে টানাপোড়েন, স্বামীজী তার বাস্তব অভিজ্ঞতা উপলব্ধি করেছিলেন। মন যেখানে কাজের জন্য দেহকে উন্মত্ত করে তোলে, সেখানে দেহ সব সময় সেই আহ্বানে সাড়া দিতে পারে না। এই অসামঞ্জস্য থেকেই ক্লান্তি জন্ম নেয়। দেহ ও মনের এই ব্যবধানই মানুষের বাস্তবতা। যতদিন এই দুইয়ের পৃথক অস্তিত্ব রয়েছে, ততদিনই মানুষের চোখের সামনে এই দৃশ্যমান পৃথিবীর অস্তিত্ব টিকে থাকে; আর যেদিন এই দুই সম্পূর্ণ একাত্ম হয়ে যাবে, সেদিনই মানুষের কাছে জগতের দৃশ্যপট মুছে যাবে—এ এক গভীর আধ্যাত্মিক উপলব্ধি। স্বামীজী অনুভব করেছিলেন,...