পোস্টগুলি

ujaan

৪৩০ স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -১৪তম পর্ব )

ছবি
  ৪৩০   স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -১৪তম   পর্ব )  ( বাস্তবের উপর দাঁড়িয়ে একটা ধারাবাহিক রচনা যা অতীত - বর্তমানে আর আগামীর আশঙ্কাকে  উস্কে দেয় )       গত সংখ্যায় যা আছে -- এই প্রশ্নমুখরতা ভারতীয় দার্শনিক ঐতিহ্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ১৪তম  পর্বের শুরু - চারিদিক শুধুই অন্ধকার। হঠাৎ দূরে কোথাও বাতির ক্ষীণ একটু ছটা দেখা যায়। মুহূর্তেই মনোযোগের সমস্ত আকর্ষণ যেন তাকে ঘিরে আবর্তিত হতে থাকে। অন্ধকারের মধ্যে আলো যত ক্ষীণই হোক, তার অস্তিত্বই তখন আশার একমাত্র চিহ্ন। অন্ধকার থেকে উত্তরণের পথ একমাত্র আলোই দেখাতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতির এই ঘনঘটা যেন অন্ধকারেরই অন্য নাম। আলো সেখানে সুদূরপরাহত। দীর্ঘ দিনের পর দিন দিগন্তে দিনমণি তার আলো ছড়িয়ে পৃথিবীকে আলোকিত করে, তারপর সন্ধ্যার কাছে নিজেকে সঁপে দিয়ে ঘরে ফিরে যায়। আবার আসে রাত, আবার তার বুক চিরে ভোরের জন্ম হয়। দিন-রাতের এই চক্র বিশ্বপ্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়ম। কিন্তু এই দৃশ্যমান দিন-রাত্রির আড়ালেও জীবনের আর-একটি সূক্ষ্ম আলো-অন্ধকারের খেলা চলতে থাকে—যাকে চোখে দেখা যায় না, অথচ অন্তর দিয়ে অনুভব করা যায়। অন্ধকা...

৪২৯ স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -ত্রয়োদশ পর্ব )

ছবি
  ৪২৯   স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -ত্রয়োদশ  পর্ব )  ( বাস্তবের উপর দাঁড়িয়ে একটা ধারাবাহিক রচনা যা অতীত - বর্তমানে আর আগামীর আশঙ্কাকে  উস্কে দেয় )       গত সংখ্যায় যা আছে -- মহাভারত খুব দৃঢ়ভাবে তুলে ধরেছে কর্মফল ও নিয়তির উপস্থিতিকে। প্রতিটি  কাজেরই একটি অনিবার্য পরিণতি আছে। কোন চরিত্রকে মহাভারত  এই বাস্তবতা থেকে বেরিয়ে আসতে দেয়নি।  একদিকে যেমন, কৌরবরা তাদের  লোভ, অহংকার ও হিংসা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি, অন্যদিকে পাণ্ডবরাও এই যুদ্ধের ধ্বংসলীলা ও ভুল ভ্রান্তির যোগ্য শাস্তি পেয়েছে।  নিয়তির এই বিধান থেকে এমনকি শ্রীকৃষ্ণও রেহাই পান নি, গান্ধারীর অভিশাপ  সত্য বলে প্রমাণিত হয়েছে।  ত্রয়োদশ  পর্ব আমরা আজ মূলত খুঁজতে এসেছি মহাভারতের পিছনের দর্শনটা কি ছিল ? তার সাথে এটাও আমাদের প্রশ্ন কেন মহাভারত বিশ্ব সাহিত্যের ইতিহাসে সময়কে অতিক্রম করে প্রাসঙ্গিক ? যতক্ষন আমাদের জানার সন্তুষ্টির ভান্ডার পূর্ণ হবেনা, ততক্ষণ আমাদের অনুসন্ধান এখানে ওখানে চলতেই থাকবে।  বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসে এমন কিছু গ্রন্থ আমাদের ভাবনা চিন্তা করতে ...

৪২৮ স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -দ্বাদশ পর্ব )

ছবি
  ৪২৮   স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -দ্বাদশ  পর্ব )            ( বাস্তবের উপর দাঁড়িয়ে একটা ধারাবাহিক রচনা যা অতীত - বর্তমানে আর আগামীর আশঙ্কাকে  উস্কে দেয় )       গত সংখ্যায় যা আছে -- আধুনিক গবেষণায় বেদকে শুধুমাত্র ধর্মীয় সাহিত্যের আবরণে বেঁধে রাখেনি বরং  তাকে এক ঐতিহাসিক দলিল বলে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।  দ্বাদশ  পর্ব   বেদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আছে পুরুষার্থঃ। খুব ভালো করে যদি বিচার বিশ্লেষণ করা হয়, তাহলে দেখা যাবে এই চতুর্ব র্গ পুরুষার্থকে বিভিন্ন ভাবে বারবার বলা হয়েছে।  ব্যবহারিক জীবনে অর্থের প্রয়োজন আছে আর তার জন্য কর্ম করার প্রয়োজন। অপরিমিত আয় মনকে বিশৃঙ্খল করে তোলে, তাই মনকে নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য ধর্মের অনুশীলন প্রয়োজন। একটা সময়ের পর আধ্যাত্মিকতা জীবনে শান্তি এনে দেয়। এই কাম,অর্থ,ধর্ম ও মোক্ষ এই চতুর্বর্গ নিয়ে হচ্ছে বেদের পুরুষার্থ।     তখনকার দিনে সাধারণ মানুষ এক তীব্র অনুসন্ধিৎসা নিয়ে ঋষিদের কাছে বহু তথ্যের ব্যাখ্যা চাইতে আসতেন। ঋষিরা দেখলেন, তাদের কথার উত্তরগুলি যদি নিজে...

৪২৭ স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -একাদশ পর্ব )

ছবি
  ৪২৭   স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -একাদশ  পর্ব )  ( বাস্তবের উপর দাঁড়িয়ে একটা ধারাবাহিক রচনা যা অতীত - বর্তমানে আর আগামীর আশঙ্কাকে  উস্কে দেয় )       গত সংখ্যায় যা আছে -- ঋগ্বেদ কেবল একটি ধর্মগ্রন্থ নয়; এটি প্রাচীন ভারতীয় সভ্যতার মানসিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের এক অনন্য দলিল। এর মাধ্যমে আমরা প্রাচীন মানুষের ধর্মবিশ্বাস, প্রকৃতিচেতনা, রাজনৈতিক সংগঠন, অর্থনৈতিক জীবন, সামাজিক কাঠামো এবং দার্শনিক অনুসন্ধানের একটি জীবন্ত চিত্র পাই। একই সঙ্গে ঋগ্বেদ দেখায় কীভাবে বহুদেবতাবাদ থেকে এক পরম সত্যের ধারণা, যজ্ঞকেন্দ্রিক ধর্ম থেকে দার্শনিক অনুসন্ধান এবং উপজাতীয় সমাজ থেকে সংগঠিত সামাজিক কাঠামোর দিকে ভারতীয় সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিল। একাদশ   পর্ব   এই পৃথিবীর বুকের উপর দিয়ে ঝড় বয়ে যায়, বন্যা হয় , ভূকম্পন হয় তারপর তার রেশ বেশ কিছু দিন ধরে মানুষের স্মৃতিতে রয়ে যায়। যদি তার কোন প্রভাবকে স্মরণীয় করে রাখতে হয়, সেখানে মানুষ আশ্রয় নেয় ঘটনাবলীকে আগামীর জন্য রেখে   লিখে রাখার উদ্দেশ্য তৎকালীন  উপস্থিত মাধ্যমের সাহায্যে নেয় , সেই-ই কালে কাল...

৪২৬ স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -দশম পর্ব )

ছবি
  ৪২৬   স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -দশম  পর্ব )  ( বাস্তবের উপর দাঁড়িয়ে একটা ধারাবাহিক রচনা যা অতীত - বর্তমানে আর আগামীর আশঙ্কাকে  উস্কে দেয় )       গত সংখ্যায় যা আছে -- এবার আমরা  ইতিহাসের উপাদান সংগ্রহ করতে করতে  এখন পৌঁছে যাব আজ থেকে প্রায় ৩৫০০ হাজার বছর পূর্বে। সেই সব সাহিত্য সম্ভারের মধ্যে ঋগ্বেদকে সর্বাপেক্ষা প্রাচীন গ্রন্থ বলে ঐতিহাসিকরা মেনে নিয়েছে আর সেখান থেকে সংগ্রহ করব বৈদিক যুগের সাহিত্যের মধ্যে  থেকে ইতিহাসের নির্যাসকে।    দশম  পর্ব   সাহিত্য সমাজের দর্পন। সেই হিসাবে ঋগ্বেদ (Rigveda) সর্বপ্রাচীন এবং সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত। মতভেদ থাকা সত্ত্বেও অধিকাংশ ইতিহাসবিদরা   এর রচনাকাল আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০–১২০০ অব্দের মধ্যে রচিত হয়েছে বলে মনে করেন।  এটি কেবল হিন্দুধর্মের প্রাচীনতম ধর্মগ্রন্থই নয়; বরং প্রাচীন ইন্দো-আর্য সমাজ, ধর্ম, অর্থনীতি, রাজনীতি, দর্শন এবং সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার অন্যতম প্রধান ঐতিহাসিক উৎস। সেই যুগের ঋষিরা স্তোত্রের মধ্যে অকৃপণভাবে ঢেলে সাজিয়েছ...

৪২৫ স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -নবম পর্ব )

ছবি
     ৪২৫   স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -নবম   পর্ব )  ( বাস্তবের উপর দাঁড়িয়ে একটা ধারাবাহিক রচনা যা অতীত - বর্তমানে আর আগামীর আশঙ্কাকে  উস্কে দেয় )       গত সংখ্যায় যা আছে -- সমাজেরও গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো মানব আর মানবীর সম্পর্কের বিকাশের ধারাকে চয়ন করা। তাদের সম্পর্কের রসায়নটা  কেমন ছিল সেটা জানা একান্ত  প্রয়োজন। একমাত্র চৈতন্য ছাড়া  এই পৃথিবীতে সবই পরিবর্তনশীল। সমাজের ক্ষেত্রেও সেই একই নিয়ম প্রযোজ্য। সেদিন থেকে বর্তমান পর্যন্ত  নারী-পুরুষের সম্পর্কের ইতিহাসটা নিয়ে চর্চা করি, তাহলে দেখা যাবে সেদিন একপুরুষ ও এক নারীকে কেন্দ্র করে যে পরিবার গড়ে উঠেছিল , সেই সম্পর্কটা বহু পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে আজকেও সেই মর্যাদা অক্ষুন্ন রয়েছে।   

৪২৪ স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -অষ্টম পর্ব )

ছবি
    ৪২৪ স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -অষ্টম  পর্ব )  ( বাস্তবের উপর দাঁড়িয়ে একটা ধারাবাহিক রচনা যা অতীত - বর্তমানে আর আগামীর আশঙ্কাকে  উস্কে দেয় )       গত সংখ্যায় যা আছে -- ইতিহাসকে পড়া নয়, জানার জন্য ইতিহাসের গবেষকগণ যুক্ত করতে চাইছেন  প্রত্যেকটি ঘটনার কারণ ও উদ্দেশ্যকে তুলে ধরার, যাতে করে অতিরঞ্জন, প্রক্ষেপন ও বিকৃতিপনার দূষণ থেকে ইতিহাস মুক্ত হয়।