৪৫২ কেন আজ স্বামীজিকে নিয়ে চর্চা করার প্রয়োজনীয়তা আছে -(৩২)
৪৫২ কেন আজ স্বামীজিকে নিয়ে চর্চা করার প্রয়োজনীয়তা আছে -(৩২ ) ১৮৯৫ সালে বিদেশ থেকে শিষ্যদের উদ্দেশ্য পাঠানো পত্রের ভাবার্থের অনুসরণে- এতো সাধারণ কোন চিঠি নয়, এ যেন কোন পরাধীন দেশের স্বাধীন ভাবনার এক বিদ্রোহী সন্যাসীর প্রাক-বিপ্লবের প্রস্তুতির গাঁথা। এই সন্যাসী একটা আগাপাশতলা সংস্কারে আবদ্ধ এক ঘুমন্ত জাতিকে জাগাতে যেন বিষ্ণু বক্ষ থেকে যুগল কন্যাকে ছিনিয়ে নিয়ে আসতে বদ্ধপরিকর হয়েছেন। এই লেখাগুলি শুধুমাত্র চিঠি নয়, এযেন এক ঐতিহাসিক দলিল। তার লেখা প্রতিটা কথা আজও প্রাসঙ্গিক এবং আগামী দিনে শোষকের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের জাগরণের মন্ত্র হিসাবে বারবার চর্চিত হবে, সেটা দেশি বা বিদেশী যে কোন অত্যাচারী শোষক হতে পারে। নির্যাতন সহিতে সহিতে দেশবাসী মেনে নিয়েছিল দীর্ঘ দিনের পরাধীনতার গ্লানিকে বাস্তবতা বলে মেনে নিয়েছিল। তারা কুঁড়েমিকে বৈরাগ্যের নামাবলী দিয়ে ঢেকে রাখতে চেয়েছিলেন। স্বামীজী এসে সেই নামাবলীটাকে দেহের উপর থেকে টেনে এনে তাদের নগ্ন রূপটা প্রকাশ করে দিয়েছিলেন। কোন ঢাকঢাকগুড়গুর নেই, তীক্ষ্ণ ভাষার তীরের বর্ষণে শতাব্দী প্রাচীন সংস্কারের ...