পোস্টগুলি

ujaan

৪২৭ স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -একাদশ পর্ব )

ছবি
  ৪২৭   স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -একাদশ  পর্ব )  ( বাস্তবের উপর দাঁড়িয়ে একটা ধারাবাহিক রচনা যা অতীত - বর্তমানে আর আগামীর আশঙ্কাকে  উস্কে দেয় )       গত সংখ্যায় যা আছে -- ঋগ্বেদ কেবল একটি ধর্মগ্রন্থ নয়; এটি প্রাচীন ভারতীয় সভ্যতার মানসিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের এক অনন্য দলিল। এর মাধ্যমে আমরা প্রাচীন মানুষের ধর্মবিশ্বাস, প্রকৃতিচেতনা, রাজনৈতিক সংগঠন, অর্থনৈতিক জীবন, সামাজিক কাঠামো এবং দার্শনিক অনুসন্ধানের একটি জীবন্ত চিত্র পাই। একই সঙ্গে ঋগ্বেদ দেখায় কীভাবে বহুদেবতাবাদ থেকে এক পরম সত্যের ধারণা, যজ্ঞকেন্দ্রিক ধর্ম থেকে দার্শনিক অনুসন্ধান এবং উপজাতীয় সমাজ থেকে সংগঠিত সামাজিক কাঠামোর দিকে ভারতীয় সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিল। একাদশ   পর্ব   এই পৃথিবীর বুকের উপর দিয়ে ঝড় বয়ে যায়, বন্যা হয় , ভূকম্পন হয় তারপর তার রেশ বেশ কিছু দিন ধরে মানুষের স্মৃতিতে রয়ে যায়। যদি তার কোন প্রভাবকে স্মরণীয় করে রাখতে হয়, সেখানে মানুষ আশ্রয় নেয় ঘটনাবলীকে আগামীর জন্য রেখে   লিখে রাখার উদ্দেশ্য তৎকালীন  উপস্থিত মাধ্যমের সাহায্যে নেয় , সেই-ই কালে কাল...

৪২৬ স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -দশম পর্ব )

ছবি
  ৪২৬   স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -দশম  পর্ব )  ( বাস্তবের উপর দাঁড়িয়ে একটা ধারাবাহিক রচনা যা অতীত - বর্তমানে আর আগামীর আশঙ্কাকে  উস্কে দেয় )       গত সংখ্যায় যা আছে -- এবার আমরা  ইতিহাসের উপাদান সংগ্রহ করতে করতে  এখন পৌঁছে যাব আজ থেকে প্রায় ৩৫০০ হাজার বছর পূর্বে। সেই সব সাহিত্য সম্ভারের মধ্যে ঋগ্বেদকে সর্বাপেক্ষা প্রাচীন গ্রন্থ বলে ঐতিহাসিকরা মেনে নিয়েছে আর সেখান থেকে সংগ্রহ করব বৈদিক যুগের সাহিত্যের মধ্যে  থেকে ইতিহাসের নির্যাসকে।    দশম  পর্ব   সাহিত্য সমাজের দর্পন। সেই হিসাবে ঋগ্বেদ (Rigveda) সর্বপ্রাচীন এবং সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত। মতভেদ থাকা সত্ত্বেও অধিকাংশ ইতিহাসবিদরা   এর রচনাকাল আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০–১২০০ অব্দের মধ্যে রচিত হয়েছে বলে মনে করেন।  এটি কেবল হিন্দুধর্মের প্রাচীনতম ধর্মগ্রন্থই নয়; বরং প্রাচীন ইন্দো-আর্য সমাজ, ধর্ম, অর্থনীতি, রাজনীতি, দর্শন এবং সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার অন্যতম প্রধান ঐতিহাসিক উৎস। সেই যুগের ঋষিরা স্তোত্রের মধ্যে অকৃপণভাবে ঢেলে সাজিয়েছ...

৪২৫ স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -নবম পর্ব )

ছবি
     ৪২৫   স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -নবম   পর্ব )  ( বাস্তবের উপর দাঁড়িয়ে একটা ধারাবাহিক রচনা যা অতীত - বর্তমানে আর আগামীর আশঙ্কাকে  উস্কে দেয় )       গত সংখ্যায় যা আছে -- সমাজেরও গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো মানব আর মানবীর সম্পর্কের বিকাশের ধারাকে চয়ন করা। তাদের সম্পর্কের রসায়নটা  কেমন ছিল সেটা জানা একান্ত  প্রয়োজন। একমাত্র চৈতন্য ছাড়া  এই পৃথিবীতে সবই পরিবর্তনশীল। সমাজের ক্ষেত্রেও সেই একই নিয়ম প্রযোজ্য। সেদিন থেকে বর্তমান পর্যন্ত  নারী-পুরুষের সম্পর্কের ইতিহাসটা নিয়ে চর্চা করি, তাহলে দেখা যাবে সেদিন একপুরুষ ও এক নারীকে কেন্দ্র করে যে পরিবার গড়ে উঠেছিল , সেই সম্পর্কটা বহু পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে আজকেও সেই মর্যাদা অক্ষুন্ন রয়েছে।   

৪২৪ স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -অষ্টম পর্ব )

ছবি
    ৪২৪ স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -অষ্টম  পর্ব )  ( বাস্তবের উপর দাঁড়িয়ে একটা ধারাবাহিক রচনা যা অতীত - বর্তমানে আর আগামীর আশঙ্কাকে  উস্কে দেয় )       গত সংখ্যায় যা আছে -- ইতিহাসকে পড়া নয়, জানার জন্য ইতিহাসের গবেষকগণ যুক্ত করতে চাইছেন  প্রত্যেকটি ঘটনার কারণ ও উদ্দেশ্যকে তুলে ধরার, যাতে করে অতিরঞ্জন, প্রক্ষেপন ও বিকৃতিপনার দূষণ থেকে ইতিহাস মুক্ত হয়। 

৪২৩ স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -সপ্তম পর্ব )

ছবি
  ৪২৩   স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -সপ্তম  পর্ব )  ( বাস্তবের উপর দাঁড়িয়ে একটা ধারাবাহিক রচনা যা অতীত - বর্তমানে আর আগামীর আশঙ্কাকে  উস্কে দেয় )       গত সংখ্যায় যা আছে -- একই ধরনের দেবতার প্রতি সার্বজনীন ভক্তির থেকে সমগ্র সমাজের মধ্যে  এক কালেকটিভ বিলিফ সিস্টেম গড়ে উঠে, যেটা একটা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ  করতে সাহায্য করে। সিন্ধু সভ্যতার মানুষদের সময় সেটা শিখিয়েছিলো  কি ভাবে মনস্তাত্ত্বিক কবচ পরিধান করতে হয় বেঁচে থাকতে গেলে। এই যৌথ আবশ্যিকতা থেকে সমাজ চারণ করতে শেখে যে পদ্ধতিকে -সেটাই ছিল সেযুগের ধর্ম। 

৪২২ স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -ষষ্ঠ পর্ব )

ছবি
৪২২   স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -ষষ্ঠ  পর্ব ) ( বাস্তবের উপর দাঁড়িয়ে একটা ধারাবাহিক রচনা যা অতীত - বর্তমানে আর আগামীর আশঙ্কাকে  উস্কে দেয় )       গত সংখ্যায় যা আছে -- যে স্থূল প্রক্রিয়ায় একটি মানুষ শৈশব থেকে অবশেষে এক জন পরিণত মানুষে পরিবর্তিত হয়, সেরকম সুক্ষ প্রক্রিয়ায়  মাধ্যমে নিজেকে জানার জন্য অবিরাম সামনের দিকে এগিয়ে যায়।  এই ক্ষুদ্র থেকে বৃহত্তর সত্যের দিকে  মানুষের চেতনার যে নিরন্তর বিস্তার, সেই যাত্রার পথই হলো প্রকৃত ধর্ম। এই আলোকধারায় চলতে চলতে সামনের বিশাল আলোকবর্তিকা মুছে দেয় সবধরনের সংকীর্ণতা, সে তখন বিশ্বজনীন প্রেমের দিকে ধাবিত হয়ে এক অনন্ত প্রবাহের রূপ নেয়।  তার এই আত্মিক বন্ধনের পিপাসা  তাকে পৌঁছে দেয় সেই  জগতের সেই অনন্তের কাছে।  এর পর ০০০০০০০০০০

৪২১ প্রফেসর চেনোওয়েথের তত্ত্বের আলোকে আজকের আন্দোলন

ছবি
  ৪২১ প্রফেসর  চেনোওয়েথের তত্ত্বের আলোকে আজকের আন্দোলন    দিল্লির জন্তর মন্তর—ভারতের গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের এক ঐতিহাসিক মোহনা। চারদিকে হলুদ রঙের পুলিশি ব্যারিকেড, আর তার ঠিক ওপারেই হাজার হাজার মানুষের স্লোগান, প্ল্যাকার্ড আর বাঁচার দাবি। গল্পটা হতে পারে দুর্নীতিবিরোধী কোনো বিশাল জমায়েতের , ছাত্রদের  অধিকার আদায়ের লড়াইয়ের , অথবা কোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত জাগরণের। আসুন , প্রফেসর এরিকা চেনোওয়েথের তত্ত্বের চশমা দিয়ে জন্তর মন্তরের এমনই এক আন্দোলনের একটি দৃশ্যপট বিশ্লেষণ করা যাক।   গল্পের প্রধান চরিত্র হতে পারে  বিপ্লব রাজপূত , রাষ্ট্রবিজ্ঞানের একজন তরুণ গবেষক। তার হাতে চেনোওয়েথ ও স্টেফানের সেই বিখ্যাত বইটি —"Why Civil Resistance Works" । সে ব্যারিকেডের একপাশে দাঁড়িয়ে জন্তর মন্তরের এই বিশাল জনসমুদ্র পর্যবেক্ষণ করছে এবং বইয়ের তত্ত্বগুলোর সাথে বাস্তবের মিল খুঁজছে। ১ . সাধারণের অংশগ্রহণ : ব্যারিকেডের ওপারের বৈচিত্র্য বিপ্লবের  চোখ আটকে গেল একটি দৃশ্য...