পোস্টগুলি

ujaan

৪২২ স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -ষষ্ঠ পর্ব )

ছবি
৪২২   স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -ষষ্ঠ  পর্ব ) ( বাস্তবের উপর দাঁড়িয়ে একটা ধারাবাহিক রচনা যা অতীত - বর্তমানে আর আগামীর আশঙ্কাকে  উস্কে দেয় )       গত সংখ্যায় যা আছে -- যে স্থূল প্রক্রিয়ায় একটি মানুষ শৈশব থেকে অবশেষে এক জন পরিণত মানুষে পরিবর্তিত হয়, সেরকম সুক্ষ প্রক্রিয়ায়  মাধ্যমে নিজেকে জানার জন্য অবিরাম সামনের দিকে এগিয়ে যায়।  এই ক্ষুদ্র থেকে বৃহত্তর সত্যের দিকে  মানুষের চেতনার যে নিরন্তর বিস্তার, সেই যাত্রার পথই হলো প্রকৃত ধর্ম। এই আলোকধারায় চলতে চলতে সামনের বিশাল আলোকবর্তিকা মুছে দেয় সবধরনের সংকীর্ণতা, সে তখন বিশ্বজনীন প্রেমের দিকে ধাবিত হয়ে এক অনন্ত প্রবাহের রূপ নেয়।  তার এই আত্মিক বন্ধনের পিপাসা  তাকে পৌঁছে দেয় সেই  জগতের সেই অনন্তের কাছে।  এর পর ০০০০০০০০০০

৪২১ প্রফেসর চেনোওয়েথের তত্ত্বের আলোকে আজকের আন্দোলন

ছবি
  ৪২১ প্রফেসর  চেনোওয়েথের তত্ত্বের আলোকে আজকের আন্দোলন    দিল্লির জন্তর মন্তর—ভারতের গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের এক ঐতিহাসিক মোহনা। চারদিকে হলুদ রঙের পুলিশি ব্যারিকেড, আর তার ঠিক ওপারেই হাজার হাজার মানুষের স্লোগান, প্ল্যাকার্ড আর বাঁচার দাবি। গল্পটা হতে পারে দুর্নীতিবিরোধী কোনো বিশাল জমায়েতের , ছাত্রদের  অধিকার আদায়ের লড়াইয়ের , অথবা কোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত জাগরণের। আসুন , প্রফেসর এরিকা চেনোওয়েথের তত্ত্বের চশমা দিয়ে জন্তর মন্তরের এমনই এক আন্দোলনের একটি দৃশ্যপট বিশ্লেষণ করা যাক।   গল্পের প্রধান চরিত্র হতে পারে  বিপ্লব রাজপূত , রাষ্ট্রবিজ্ঞানের একজন তরুণ গবেষক। তার হাতে চেনোওয়েথ ও স্টেফানের সেই বিখ্যাত বইটি —"Why Civil Resistance Works" । সে ব্যারিকেডের একপাশে দাঁড়িয়ে জন্তর মন্তরের এই বিশাল জনসমুদ্র পর্যবেক্ষণ করছে এবং বইয়ের তত্ত্বগুলোর সাথে বাস্তবের মিল খুঁজছে। ১ . সাধারণের অংশগ্রহণ : ব্যারিকেডের ওপারের বৈচিত্র্য বিপ্লবের  চোখ আটকে গেল একটি দৃশ্য...