(২১৮) জগাখিচুড়ি -চতুর্থ সংখ্যা
( ২১৮) জগাখিচুড়ি -চতুর্থ সংখ্যা ১) বিভাজনের ক্রম বিবর্তনবাদ বিভাজনের সূত্রপাত হয়েছিল সেই দিন, যে দিন এই বিশ্বব্রম্মান্ডের সৃষ্টি কর্তা প্রাণী সৃষ্টি করার জন্য অব্যক্ত অবস্থা থেকে ব্যক্ত হলেন। ভারতীয় দর্শন অনুযায়ী সুপ্রিম পাওয়ার বা পরম ব্রহ্ম নিজেকে বিভাজিত করে সৃষ্টি করলেন প্রকৃতি আর পুরুষকে। তিনি হয়ে রইলেন পুরুষ হিসাবে। এই পুরুষ হলেন চৈতন্য। সেদিন থেকে চেতন আর অচেতনের দ্বন্দ্ব চিরন্তন আর সেই পরস্পর বিরোধী সত্ত্বার পূর্ণাঙ্গ রূপ হল এই মানুষ। শিশুর জন্মকালীন মাতা তাঁর নাড়ীর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে বিশ্ব প্রকৃতির কাছে একাকী ছেড়ে দেয়, সেও এক ধরনের বিভাজন। এই আপাত খণ্ডিত ভাবনাকে , কতখানি আলোর সংস্পর্শে আসলে বিভাজনের ভাবনার ভূত মানুষের ঘাড় থেকে নামবে। রবি ঠাকুরের গানের সাথে গলা মিলিয়ে বলতে হবে -এই অন্ধকারের উৎস-হতে উৎসারিত আলো / সেই তো তোমার আলো! / সকল দ্বন্দ্ববিরোধ -মাঝে জাগ্রত যে ভালো / সেই তো তোমার ভালো। অখন্ড ভাবনাই খণ্ডিত বা বিভাজনের ভাবনার বিয়োগের চ...