৪৫১ ইচ্ছা-অনিচ্ছা
৪৫১ ইচ্ছা-অনিচ্ছা ৪৫০ দর্শন-অদর্শনের পর ০০০ হরেন বললো - " মাস্টারমশাই, জড় আর চৈতন্যের মধ্যে একটা মস্ত বড় ফারাক আছে সেটা খানিকটা বুঝলাম কিন্তু, তবে সেই বোঝাটা যে শেষ কথা নয়, সেটাও বুঝলাম, আমার লক্ষ্য হল অদ্বৈত বেদান্তকে উপলদ্ধি করার আর সেই জন্যই আমাকে দর্শনকে ভালোভাবে জানতে হবে। " হরিবাবু ছাত্রের মুখে এই কথা শুনে আপ্লুত হয়ে গেলেন। তিনি বললেন - "সাবাশ ব্যাটা ! তবে আমি যা জানি, তাই তোকে শেখাবো, অবশ্যিই তোর বোঝার মতো করে। এটা নিশ্চয়ই বুঝিস, দেয়াল কিংবা রাস্তার নির্দিষ্ট কোন উদেশ্য নেই, কারণ তারা জড় , গাছের পাতা নিজের থেকে কখন নড়েনা, বাতাস এসে তাদের নাড়িয়ে দেয়। আমাদের ইন্দ্রিয় ও মন নিজের থেকে কখনো সক্রিয় হতে পারে না, যতোক্ষন মনের পিছনে থাকা চৈতন্য নামক পুরুষটি যদি কোন আদেশ না দেয়। হরেন, তুই যদি একটু খেয়াল করিস তাহলে দেখবি, সেই পুরুষটির যত ইচ্ছা-অনিচ্ছার ভোগটা শরীর আর মনের উপর দিয়ে বয়ে যায়। শরীর ও মন স্রেফ একটা যন্ত্র বিশেষ মাত্র। আরেকটু ভেঙে যদি বলি চৈতন্য হলো ইন্দ্রিয়ের মনিটর। কখন কোথায় কি ঘটছে, সে অলক্ষ্য...