পোস্টগুলি

অক্টোবর, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

৪৫১ ইচ্ছা-অনিচ্ছা

ছবি
  ৪৫১     ইচ্ছা-অনিচ্ছা  ৪৫০ দর্শন-অদর্শনের পর ০০০ হরেন বললো - " মাস্টারমশাই, জড় আর চৈতন্যের মধ্যে একটা মস্ত বড় ফারাক আছে  সেটা খানিকটা বুঝলাম কিন্তু, তবে সেই বোঝাটা যে শেষ কথা নয়, সেটাও বুঝলাম, আমার লক্ষ্য হল অদ্বৈত বেদান্তকে উপলদ্ধি করার আর সেই জন্যই আমাকে  দর্শনকে ভালোভাবে জানতে হবে। " হরিবাবু ছাত্রের মুখে এই কথা শুনে আপ্লুত হয়ে গেলেন।  তিনি বললেন - "সাবাশ ব্যাটা ! তবে আমি যা জানি, তাই তোকে শেখাবো, অবশ্যিই  তোর বোঝার মতো করে। এটা নিশ্চয়ই বুঝিস, দেয়াল কিংবা রাস্তার নির্দিষ্ট কোন উদেশ্য নেই, কারণ তারা জড় , গাছের পাতা  নিজের থেকে কখন নড়েনা, বাতাস এসে তাদের নাড়িয়ে  দেয়। আমাদের ইন্দ্রিয় ও  মন নিজের থেকে কখনো সক্রিয় হতে পারে না, যতোক্ষন মনের পিছনে থাকা চৈতন্য নামক পুরুষটি যদি কোন আদেশ না দেয়। হরেন, তুই যদি একটু খেয়াল করিস তাহলে দেখবি, সেই পুরুষটির যত ইচ্ছা-অনিচ্ছার ভোগটা শরীর আর মনের উপর দিয়ে  বয়ে যায়। শরীর ও মন  স্রেফ একটা যন্ত্র বিশেষ মাত্র। আরেকটু ভেঙে যদি বলি চৈতন্য হলো ইন্দ্রিয়ের মনিটর। কখন কোথায় কি ঘটছে, সে অলক্ষ্য...

৪৫০ দর্শনের অদর্শন

ছবি
৪৫০     দর্শনের অদর্শন   কত শব্দকে বিনা বিচারে মনের কুলঙ্গিতে লুকিয়ে রেখেছি। তারা মনের অন্দরে নির্বোধ শিশুর মতো ডুগডুগি বাজিয়ে আসছে। জীবন সাহাহ্নে  এসে এক এক করে তাদের বের করে বিচার বিশ্লেষণ করতে বসেছি। যে অবলা মাধ্যমটি এব্যাপারে একটা পেয়াদার মতো  বিশেষ ভূমিকা নিয়েছে তার নাম শুধুই দর্শন অর্থাৎ দেখা। যে চোখ দিয়ে দেখি, সে নেহাত গোবেচারা , তাকে যদি আঙ্গুল দিয়ে অক্ষর চেনানো না হয়, তাহলে সে কিছুই বুঝবেনা। তাই সে যা পায় আর যা দেখে তাকেই ধরে নিয়ে আসে মনের কাছে , বাছ বিচারের বালাই নেই। সদাই ব্যস্ত মন, সেখানে চোখের ভালোলাগার সাথে মনের ভালোলাগার বিরাট পার্থক্য। মনপুত না হলে ওয়েটিং লিস্টে পরে থাকে। আর এই মনপ্রাণ দিয়ে দেখাকে যে  'দর্শনশাস্ত্র বলে সেটা জানতাম না।   পন্ডিতরা তাই সামনে একটা তকমা লাগিয়ে খোলসা করে আকারে বড়মাপের দেখাকে  বলে স্থুল দর্শন, আর সেই দর্শনকে রসায়নাগারে পরীক্ষানিরীক্ষা করার পরে যে উত্তরটি পাওয়া যায়,  তার নামের আগে সুক্ষ শব্দটি বসিয়ে দেয়। সারা জীবন ধরে মানুষ কোন সম্পর্ককে শুধু দেখেই যায় কিন্তু  চিনতে পারেনা - সেটা শ...