৪২৮ স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -দ্বাদশ পর্ব )
৪২৮ স্পর্ধা-আস্পর্ধা (ধারাবাহিক -দ্বাদশ পর্ব ) ( বাস্তবের উপর দাঁড়িয়ে একটা ধারাবাহিক রচনা যা অতীত - বর্তমানে আর আগামীর আশঙ্কাকে উস্কে দেয় ) গত সংখ্যায় যা আছে -- আধুনিক গবেষণায় বেদকে শুধুমাত্র ধর্মীয় সাহিত্যের আবরণে বেঁধে রাখেনি বরং তাকে এক ঐতিহাসিক দলিল বলে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। দ্বাদশ পর্ব বেদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আছে পুরুষার্থঃ। খুব ভালো করে যদি বিচার বিশ্লেষণ করা হয়, তাহলে দেখা যাবে এই চতুর্ব র্গ পুরুষার্থকে বিভিন্ন ভাবে বারবার বলা হয়েছে। ব্যবহারিক জীবনে অর্থের প্রয়োজন আছে আর তার জন্য কর্ম করার প্রয়োজন। অপরিমিত আয় মনকে বিশৃঙ্খল করে তোলে, তাই মনকে নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য ধর্মের অনুশীলন প্রয়োজন। একটা সময়ের পর আধ্যাত্মিকতা জীবনে শান্তি এনে দেয়। এই কাম,অর্থ,ধর্ম ও মোক্ষ এই চতুর্বর্গ নিয়ে হচ্ছে বেদের পুরুষার্থ। তখনকার দিনে সাধারণ মানুষ এক তীব্র অনুসন্ধিৎসা নিয়ে ঋষিদের কাছে বহু তথ্যের ব্যাখ্যা চাইতে আসতেন। ঋষিরা দেখলেন, তাদের কথার উত্তরগুলি যদি নিজেদের মতো করে ব্যাখ্যা করা হয়, তাহলে সেটা ...